বলিউডের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেতা নসীরুদ্দীন শাহ। পর্দায় চরিত্রের প্রয়োজনে বার বার নিজেকে ভেঙেচুরে গড়েছেন। এক সময় পর্দায় প্রেমের দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়েই অস্বস্তিতে পড়েছিলেন অভিনেতা। আশির দশকের শেষের দিকের জনপ্রিয় গান ‘তিরছী টোপিওয়ালে’-এর শুটিংয়ে, সহ-অভিনেত্রী সোনমের সঙ্গে ‘রোমান্স’ করতে গিয়ে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছিলেন তিনি।
১৯৮৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল রাজীব রাই পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলার ছবি ‘ত্রিদেব’। এই ছবির গানও সে সময়ে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। বিশেষ করে, ‘তিরছী টোপিওয়ালে’ গানটি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল। ছবিতে নসীরুদ্দীনের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন সনী দেওল, জ্যাকি শ্রফ, মাধুরী দীক্ষিত, সঙ্গীতা বিজলানি, অনুপম খের এবং অমরীশ পুরী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছবির পরিচালক জানান, ওই গানের শুটিংয়ের সময় নসীরুদ্দীন বেশ অস্বস্তিতে ছিলেন। এক দিকে নাচের অভিজ্ঞতা কম, অন্য দিকে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করছেন বয়সে অনেক ছোট সোনম।
রাজীবের কথায়, নসীরুদ্দীন তাঁকে জানিয়েছিলেন, তিনি কী ভাবে নাচবেন, তা বুঝতে পারছেন না। আগে কখনও এ ধরনের গানে অভিনয় করেননি তিনি। তখন পরিচালক তাঁকে পরামর্শ দেন, নাচটিকে আলাদা করে না দেখে অভিনয়েরই একটি অংশ হিসাবে ভাবতে। নিজের অভিনয়ের ধরন অনুযায়ী নাচের মুদ্রা সহজ করে নেওয়ার কথা বলেন তিনি। পরিচালকের আশ্বাসে ধীরে ধীরে স্বচ্ছন্দ হন অভিনেতা।
সোনমের সঙ্গে বয়সের ব্যবধান নিয়েও নিজের অস্বস্তির কথা পরিচালককে জানিয়েছিলেন নসীরুদ্দীন। রাজীব জানান, ছবির চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনার সময় অভিনেতা তাঁকে বলেছিলেন, তাঁর প্রথম পক্ষের মেয়ে হিবা শাহ বয়সে সোনমের চেয়েও বড়। এটা জানার পরেও এই বিষয়টি নিয়ে পরিচালকের কোনও আপত্তি রয়েছে কি না, তা-ও জানতে চেয়েছিলেন তিনি। পরিচালক অভিনেতাকে জানান, দু’জনকে জুটি হিসাবে মানাচ্ছে কি না, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
নসীরুদ্দীনের অস্বস্তির কথা জানার পর সোনমের মতও জানতে চেয়েছিলেন রাজীব। পরিচালকের দাবি, সোনম এই বর্ষীয়ান অভিনেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত ছিলেন। নসীরুদ্দীনের মতো অভিনেতার সঙ্গে পর্দা ভাগ করে নিতে তিনি আগ্রহী। তাঁকে ছবি থেকে বাদ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না বলেও জানিয়েছিলেন সোনম।
‘ত্রিদেব’-এর সেই গান এক সময় সোনমকে বিশেষ পরিচিতি দিয়েছিল। ‘ওয়ে ওয়ে’ গানের সুবাদে তিনি দর্শকের কাছে ‘ওয়ে ওয়ে গার্ল’ নামেও পরিচিত হন। পরবর্তী কালে রাজীব রাইয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী। তবে এই ছবির শুটিংয়ের সময় নসীরুদ্দীনের যে অস্বস্তি হয়েছিল, তা এত দিন পরে পরিচালকের স্মৃতিচারণে আবার আলোচনায় উঠে এসেছে।
১৯৮৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল রাজীব রাই পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলার ছবি ‘ত্রিদেব’। এই ছবির গানও সে সময়ে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। বিশেষ করে, ‘তিরছী টোপিওয়ালে’ গানটি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল। ছবিতে নসীরুদ্দীনের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন সনী দেওল, জ্যাকি শ্রফ, মাধুরী দীক্ষিত, সঙ্গীতা বিজলানি, অনুপম খের এবং অমরীশ পুরী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছবির পরিচালক জানান, ওই গানের শুটিংয়ের সময় নসীরুদ্দীন বেশ অস্বস্তিতে ছিলেন। এক দিকে নাচের অভিজ্ঞতা কম, অন্য দিকে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করছেন বয়সে অনেক ছোট সোনম।
রাজীবের কথায়, নসীরুদ্দীন তাঁকে জানিয়েছিলেন, তিনি কী ভাবে নাচবেন, তা বুঝতে পারছেন না। আগে কখনও এ ধরনের গানে অভিনয় করেননি তিনি। তখন পরিচালক তাঁকে পরামর্শ দেন, নাচটিকে আলাদা করে না দেখে অভিনয়েরই একটি অংশ হিসাবে ভাবতে। নিজের অভিনয়ের ধরন অনুযায়ী নাচের মুদ্রা সহজ করে নেওয়ার কথা বলেন তিনি। পরিচালকের আশ্বাসে ধীরে ধীরে স্বচ্ছন্দ হন অভিনেতা।
সোনমের সঙ্গে বয়সের ব্যবধান নিয়েও নিজের অস্বস্তির কথা পরিচালককে জানিয়েছিলেন নসীরুদ্দীন। রাজীব জানান, ছবির চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনার সময় অভিনেতা তাঁকে বলেছিলেন, তাঁর প্রথম পক্ষের মেয়ে হিবা শাহ বয়সে সোনমের চেয়েও বড়। এটা জানার পরেও এই বিষয়টি নিয়ে পরিচালকের কোনও আপত্তি রয়েছে কি না, তা-ও জানতে চেয়েছিলেন তিনি। পরিচালক অভিনেতাকে জানান, দু’জনকে জুটি হিসাবে মানাচ্ছে কি না, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
নসীরুদ্দীনের অস্বস্তির কথা জানার পর সোনমের মতও জানতে চেয়েছিলেন রাজীব। পরিচালকের দাবি, সোনম এই বর্ষীয়ান অভিনেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত ছিলেন। নসীরুদ্দীনের মতো অভিনেতার সঙ্গে পর্দা ভাগ করে নিতে তিনি আগ্রহী। তাঁকে ছবি থেকে বাদ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না বলেও জানিয়েছিলেন সোনম।
‘ত্রিদেব’-এর সেই গান এক সময় সোনমকে বিশেষ পরিচিতি দিয়েছিল। ‘ওয়ে ওয়ে’ গানের সুবাদে তিনি দর্শকের কাছে ‘ওয়ে ওয়ে গার্ল’ নামেও পরিচিত হন। পরবর্তী কালে রাজীব রাইয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী। তবে এই ছবির শুটিংয়ের সময় নসীরুদ্দীনের যে অস্বস্তি হয়েছিল, তা এত দিন পরে পরিচালকের স্মৃতিচারণে আবার আলোচনায় উঠে এসেছে।
তামান্না হাবিব নিশু